বিসিএস লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
বিসিএস লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

সোমবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১২

সাধারণ জ্ঞান: বাংলাদেশ বিষয়াবলী(বাংলাদেশ পরিচিতি):পর্ব-2

লিখেছেন: কবিয়াল নূর
পূর্বপর্তী পর্বগুলো দেখুন এখানে- পর্ব-১
ছিট মহল
১. ভারতের ভিতরে বাংলাদেশী ছিটমহল-৫১ টি ।
২. বাংলাদেশের ভিতরে ভারতীয় ছিটমহল-১১১টি।
৩. ভারতের ছিটমহল সমূহ বাংলাদেশের যেসব জেলায় অবস্থিত- কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, পঞ্চগড়, নীলফামারী।( মনে রাখুন এভাবে-লাল নীল রং মিলে  প্রায় পঞ্চ(পাঁচ) কিংবা কুড়ি গ্রাম হবে।)
৪. দহগ্রাম-আঙ্গুরপোতা লালমিনরহাট ছিটমহল:
দহগ্রাম-আঙ্গুরপোতা লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলার একটি ছিটমহল। ছিটমহলটির আয়তন ৩৫ বর্গমাইল। এই ছিটমহলের সাথে যোগাযোগের জন্য ‌’তিন বিঘা করিডোর’ ব্যবহৃত হয়। ১৯৯২ সালের ২৬ জুন ভারত বাঙলাদেশের জন্য ‌তিনবিঘা করিডোর’ খুলে দেয়। তিস্তা নদীর তীরে অবস্থিত তিনবিঘা রিডোরের মাপ ১৭৮ মিটার×৮৫ মিটার।

সাধারণ জ্ঞান: বাংলাদেশ বিষয়াবলী(বাংলাদেশ পরিচিতি):পর্ব-১


 লিখেছেন: কবিয়াল নূর
  অবস্থান: দক্ষিণ এশিয়ার একটি দেশ।
আয়তন:১,৪৭,৫৭০ বর্গ কি.মি. বা ৫৬,৯৭৭ বর্গমাইল। আয়তনের দিক থেকে বাংলাদেশের অবস্থান বিশ্বে ৯৩ তম।
বাংলাদেশের সর্বমোট সীমারেখা:৪৭১২ কিমি(সূত্র:মাধ্যমিক ভূগোল), ৫১৩৮কি.মি.(সূত্র: বাংলাদেশ রাইফেলস)
বাংলাদেশের সর্বমোট স্থল সীমা: ৩৯৯৫ কিমি (সূত্র:মাধ্যমিক ভূগোল), ৪৪২৭ কি.মি.(সূত্র: বাংলাদেশ রাইফেলস)
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমুদ্র সীমা: ২০০ নটিক্যাল মাইল বা ৩৭০.৪ কি.মি.
বাংলাদেশের  রাজনৈতিক সীমা: ১২ নটিক্যাল মাইল ।
বাংলাদেশের সাথে দুটি দেশের সীমানা আছে: ভারত এবং মিয়ানমার।
বাংলাদেশের সীমানাবর্তী জেলা: ৩২ টি।
ভারত ও মিয়ানমার উভয়দেশের সীমানাবর্তী বাংলাদেশের জেলা: রাঙামাটি।
মিয়ানমারের সীমানাবর্তী বাংলাদেমের জেলা: ৩ টি।( রাঙামাটি. বান্দরবন ও কক্সবাজার)
ভারতের সীমানাবর্তী বাংলাদেশের জেলা: ৩০ টি।
বাংলাদেশের সীমানাবর্তী ভারতের রাজ্য ৫ টি: ১.পশ্চিমবঙ্গ  ২. মেঘালয় ৩.আসাম ৪. ত্রিপুরা ৫. মিজোরাম
বাংরাদেশের সীমানাবর্তী ভারতের পশ্চিমবঙ্গের জেলা: ৯ টি।

বিসিএস প্রস্তুতি(বাংলা):কবি-সাহিত্যিকদের পরিচিতি:পর্ব-২


লিখেছেন : মো: এরশাদ আলী 
পূর্ববর্তী পর্ব : পর্ব : ১
আবদুল্লাহ আল-মুতী শরফুদ্দিন (১৯৩০-১৯৯৮) জনপ্রিয় বিজ্ঞান লেখক, শিক্ষাবিদ ও প্রশাসক জন্ম ১৯৩০ সালের ১ লা জানুয়ারী সিরাজগঞ্জে তার প্রকাশিত বিজ্ঞান, পরিবেশ ও শিক্ষাবিষয়ক বইয়ের সংখ্যা ২৮ উল্লেখযোগ্য বইগুলির মধ্যে রয়েছে বিজ্ঞান ও মানুষ, এ যুগের বিজ্ঞান, বিপন্ন পরিবেশ, বিজ্হান জিজ্ঞাসা, সাগরের রহস্যপুরী, মেঘ বৃষ্টি রোদ এবং পরিবেশের সংকট ঘনিয়ে আসছে বিজ্ঞান শিক্ষা ও সাহিত্য ক্ষেত্রে অবদানের জন্য তিনি বাংলা একাডেমী সাহিত্য পুরস্কার, স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার, একুশে পদক, শিশু একাডেমী পুরস্কার, ইউনেস্কোর কলিঙ্গ পুরস্কার এবং কুদরত-ই-খুদা স্বর্ণপদকসহ এক ডজনের অধিক পুরস্কার লাভ করেন তিনি বাংলা একাডেমী প্রকাশিত বিজ্ঞান বিশ্বকোষ-এর প্রধান সম্পাদক ছিলেন বাংলাদেশ শিশু একাডেমী, বিজ্ঞান সংস্কৃতি পরিষদ এবং Human Development Foundation-সহ বিভিন্ন সেবামূলক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন তিনি ছিলেন Islamic Academy of science-এর প্রতিষ্ঠাতা ফেলো; বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটির ফেলো এবং সভাপতি (১৯৮৮-৯১) এছাড়া তিনি বাংলা একাডেমীর সভাপতি (১৯৮৬-৯০), Foundation for Research on Planning and Development-এর সহ-সভাপতি (১৯৯৩),Bangladesh Association for Science Education-এর সভাপতি (১৯৮৮-৯৫), International Council of Associations for Science Education-এর নির্বাহী সদস্য (১৯৮৯-৯৩), এবং ইউনেস্কোর মহাপরিচালক মনোনীত International Science Council-এর সদস্য ছিলেন আল-মুতী শরফুদ্দিন ১৯৯৮ সালের ৩০ নভেম্বর ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত তিনি এশিয়াটিক সোসাইটির Natoinal Encyclopedia of Bangladesh Project-এর Project Implementation Committee-এর চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন

শনিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১২

বিসিএস প্রস্তুতি(বাংলা):কবি-সাহিত্যিকদের পরিচিতি:পর্ব-১


লেখাটি পোস্ট করেছেন: মো: এরশাদ আলী
আখতারুজ্জামান ইলিয়াস : (১৯৪৩-১৯৯৭) কথাসাহিত্যিক পূর্ণনাম আখতারুজ্জামান মুহম্মদ ইলিয়াস জন্ম ১২ ফেব্রুয়ারী গাইবান্ধায়
তার উল্লেখযোগ্য রচনা : আন্যঘরে অন্যস্বর (১৯৭৬), খোয়ারী (১৯৮২), দুধেভাতে উত্পাত (১৯৮৫), চিলেকোঠার সেপাই (১৯৮৭)
দোযখের ওম (১৯৮৯), খোয়াবনামা (১৯৯৬), সংস্কৃতির ভাঙা সেতু ইত্যাদি তিনি ১৯৮২ সালে বাংলা একাডেমী পুরস্কার পান খোয়াবনামা
উপন্যাসের জন্য সাদত আলী আখন্দ পুরস্কার (১৯৯৫)ও কলকাতার আনন্দ পুরস্কার (১৯৯৬) লাভ করেন মৃত্যুবরণ করেন ১৯৯৭ সালের ৪ জানুয়ারী ঢাকায়

আনোয়ার পাশা : (১৯২৮-১৯৭১) বুদ্ধিজীবী, শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক জন্ম ১৯২৮ সালের ১৫ এপ্রিল পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদে তার রচনাবলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে : নদী নি:শেষিত হলে (১৯৬৩), রবীন্দ্র ছোটগল্প সমীক্ষা (২ খন্ড ১৯৬৩, ১৯৭৩)নীড় সন্ধানী (১৯৬৮), নিশুতি রাতের গাথা (১৯৬৮), সাহিত্যশিল্পী আবুল ফজল (১৯৬৮),নিরুপায় হরিণী (১৯৭০), রোটি- রাইফেল-আওরাত (১৯৭৩), সমুদ্র শঙ্খলতা উজ্জয়িনী ও অন্যান্য কবিতা (১৯৭৪) ইত্যাদি তার রোটি- রাইফেল-আওরাত (১৯৭৩) মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর সহযোগী আল বদরের একটি দল তাকে হত্যা করে